"দক্ষিণ ভ্রমণ "
প্রবীর কুমার চৌধুরী

গতির সাথে তাল মিলিয়ে চলছি আমি ভাই ,
অজানা পথে ,নতুন শহরে ডাকছে যখন যাই -
দেখি নতুন কি পাই ।
অশান্ত মন , একঘেয়েমি , ভাল্লাগে না দূর ছাই ।

রইল পরে জন্মভূমি ,রইল পিছে ভাষা ,
বিষাদ ভরা মনে আমার নতুন দেখার নেশা।
সঙ্গী সাথীর হুল্লোড়ে আজ বন্ধ লেখার  কাজ-
রেলের গতি দেখায় শহর ,দেখায় রূপ , সাজ ।

মুঠোফোনে কত কথা যেন স্বজন সাথে , সাথে ,
সাবধানবাণী,সামালসামাল,থাকবি দুটি হাতে ।
মায়ের ছায়া ভীষণ মায়া যেন চলছে বেড়াতে-
কি করি ভাই ফস্কা গেরো না পারি এড়াতে ।

রেলের ঘরে দুটি রাত , ঘুমহীন দুটি চোখ -
সবুজে মাখানো গ্রামগুলো সব এনে দিল ঝোঁক ,
অজানা ভাষা , নতুন পোশাক , কতই রকমারি -
কৌতূহলের নতুন শহর কেউ না অহংকারী।

ক্লান্তিহীন শুধুই ঘোরা , জানার বাসনা -
অবাক চোখের অপার সুখ সবই অচেনা ।
মহীশূর সুন্দর শহর ইতিহাসের পাতা -
সবুজ গাছের ছড়াছড়ি যেন মাথায় ছাতা ।

মহীশূর প্যালেস , টিপুর বাগান , বৃন্দাবন গার্ডেন ,
পাহাড় পথে বুক দূরদূর যাচ্ছি যেন হ্যাভেন-
চামুন্ডা হিলস দিল সুখ দেবী আমায় দেখেন ।
শহর ঘুরে দেখে নিলাম চার্চে যীশুওআছেন। ।
মীনাক্ষী মন্দির , রামেশ্বরম আহা কি পবিত্র বাহার ।

উটির পথে মধুমালাই বিশাল জঙ্গল -
হরিণ শিশু মায়ের সাথে  বিশাল দঙ্গল ।
ময়ূর ময়ূরীর স্বর্গীয়প্রেম পথে পথে দেখি -
ব্যঘ্রপ্রকল্প যদিও নাম দেখাই শুধু বাকী ।

বিস্ময়ভরা শহর দেখি সুন্দরী মাদুরাই ,
দুই ধারে গিরিরাজ দেন পাহারাই ।
চক্ষু আমার সার্থক হলো এখনও মন অধীর -
ধন্য আমি কি দেখিলাম মীনাক্ষী মন্দির ।

Comments

Popular posts from this blog