" মগের মুলুকে " ২৪-০২-২০১৮
প্রবীর কুমার চৌধুরী
খাও খাও বিরিয়ানি খাও,
আর যত পার অসহায়ের -
পিছনে খাল কেটে হলহলে করে দাও।
তারপর আকাশ-বাতাস কাঁপিয়ে -
ডুগডুগি বাজিয়ে বল -এস দেশ বাঁচাই।
এখন কলমের কালি শুকিয়ে গেছে,
সুখের আঙ্গুলে বাত, ঘুম দিনরাত,
এখন নজরুল, সুকান্তরা ঘুমিয়ে আছে ।
কবিতার দেউলিয়া পাতা এখন খেরোর খাতা ,
প্রতিবাদহীন সময়, বিপ্লব মরে কুপোকাত ।
দিকে দিকে শুধু ধর্ষণ,সাথে অকথ্য নির্যাতন-
ভরে কান্নার হাটে, দম্ভের মাথায় সুখের প্রবল বর্ষণ ,
বল বল কটা আর চোখে পড়ে ?
ঘরে-বায়রে ,লক্ষ্যে ,অলক্ষ্যে -
কত দুর্বল নারী, মুখ বুজে সহ্য করে।
চারিদিকে রঙের চাদর,
লেকের গাছে, বাড়ির ছাদে কিছু কিছু বাদর,
প্রেম প্রেম খেলা করে, মুখোশে আড়ালে প্রেমের অভিনয় ,
বিয়ের পর পর সুখের হাওয়া,
ঘোরা ফেরা, খাওয়া দাওয়া ।
তারপর লালসার ছেঁদায় প্রানপন তাপ্পি ।
নানান প্রশ্ন চতুর্দিকে ,কত কথা মুখে মুখ-
সুখের ঘরে তালা,কান ঝালাপালা, গোধূলির রঙ ফিকে,
অশান্ত পৃথিবী ছোটে উল্টোপথে অশান্তির তাড়নায়।
স্বপ্নভঙ্গ, ঘরে ফেরে দুঃখ ভরে নানা যাতনায় ,
কিছুদিন কলরব, তারপর নীরব -
কান্নায় ভেসে ভেসে। কোথায় পাবো হারানো গৌরব?
হোমে হোমে সেবার উৎসব -
অসহায় নারীর পুনর্বাসন, নব কলরব ,
শপদ গ্রহন। বাঁচাতে অসহায়ে-
কত দান, চোখে জল, আকূল হৃদয়ে ।
অথচ, রাতের অন্ধকারের গোপন অভিসার ,
ব্যভিচার,দেহব্যবসা, শক্তিহীনার যোনী ছেঁড়া ব্যথা ...। সত্যের বুকে রক্ত ঝরে ।
লোভের সীমা লঙ্ঘিত আজ-
টাকার নেশায় হাড়িয়েছে লাজ।
ক্ষমতার দম্ভ ,সুম্ভ নিশুম্ভ-
একি ধর্মহীন অধর্মের যুদ্ধ হয়েছে আরম্ভ ?
কোলের শিশু পাচার চক্র-
ঘৃন্য,মানবতাহীন,পথ চলে সব বক্র ।
দেহের আগুন মাথায় চড়ে।
সাজাবো কবে রনসাজ ?
সবাই মা ফিরে পাক, ওদের মাথায় পরুক বাজ ।
কোথায় বিপ্লবী, কোথায় মরমি কবি -
এই কি সেই তোমাদের স্বপ্নের দেশ ?,
হারিয়ে গেছে সব সততার ছবি
মানবিকতাহীন অসহ্য পাপ ,অবক্ষয়েই দিন শেষ ।
শান্তির বানী আজ শ্মশানে কাঁদে ,
বাঁচার অধিকার আজ মৃত্যুর ফাঁদে ।
প্রেমের কবিতা লিখো তোমরা -
জন্মেছ যারা সোনার চামচ মুখে,
বুভুক্ষু সমাজে আমি দিশাহারা,
শুধু হাহাকার, যন্ত্রণা আমার বুকে।
'
প্রবীর কুমার চৌধুরী
খাও খাও বিরিয়ানি খাও,
আর যত পার অসহায়ের -
পিছনে খাল কেটে হলহলে করে দাও।
তারপর আকাশ-বাতাস কাঁপিয়ে -
ডুগডুগি বাজিয়ে বল -এস দেশ বাঁচাই।
এখন কলমের কালি শুকিয়ে গেছে,
সুখের আঙ্গুলে বাত, ঘুম দিনরাত,
এখন নজরুল, সুকান্তরা ঘুমিয়ে আছে ।
কবিতার দেউলিয়া পাতা এখন খেরোর খাতা ,
প্রতিবাদহীন সময়, বিপ্লব মরে কুপোকাত ।
দিকে দিকে শুধু ধর্ষণ,সাথে অকথ্য নির্যাতন-
ভরে কান্নার হাটে, দম্ভের মাথায় সুখের প্রবল বর্ষণ ,
বল বল কটা আর চোখে পড়ে ?
ঘরে-বায়রে ,লক্ষ্যে ,অলক্ষ্যে -
কত দুর্বল নারী, মুখ বুজে সহ্য করে।
চারিদিকে রঙের চাদর,
লেকের গাছে, বাড়ির ছাদে কিছু কিছু বাদর,
প্রেম প্রেম খেলা করে, মুখোশে আড়ালে প্রেমের অভিনয় ,
বিয়ের পর পর সুখের হাওয়া,
ঘোরা ফেরা, খাওয়া দাওয়া ।
তারপর লালসার ছেঁদায় প্রানপন তাপ্পি ।
নানান প্রশ্ন চতুর্দিকে ,কত কথা মুখে মুখ-
সুখের ঘরে তালা,কান ঝালাপালা, গোধূলির রঙ ফিকে,
অশান্ত পৃথিবী ছোটে উল্টোপথে অশান্তির তাড়নায়।
স্বপ্নভঙ্গ, ঘরে ফেরে দুঃখ ভরে নানা যাতনায় ,
কিছুদিন কলরব, তারপর নীরব -
কান্নায় ভেসে ভেসে। কোথায় পাবো হারানো গৌরব?
হোমে হোমে সেবার উৎসব -
অসহায় নারীর পুনর্বাসন, নব কলরব ,
শপদ গ্রহন। বাঁচাতে অসহায়ে-
কত দান, চোখে জল, আকূল হৃদয়ে ।
অথচ, রাতের অন্ধকারের গোপন অভিসার ,
ব্যভিচার,দেহব্যবসা, শক্তিহীনার যোনী ছেঁড়া ব্যথা ...। সত্যের বুকে রক্ত ঝরে ।
লোভের সীমা লঙ্ঘিত আজ-
টাকার নেশায় হাড়িয়েছে লাজ।
ক্ষমতার দম্ভ ,সুম্ভ নিশুম্ভ-
একি ধর্মহীন অধর্মের যুদ্ধ হয়েছে আরম্ভ ?
কোলের শিশু পাচার চক্র-
ঘৃন্য,মানবতাহীন,পথ চলে সব বক্র ।
দেহের আগুন মাথায় চড়ে।
সাজাবো কবে রনসাজ ?
সবাই মা ফিরে পাক, ওদের মাথায় পরুক বাজ ।
কোথায় বিপ্লবী, কোথায় মরমি কবি -
এই কি সেই তোমাদের স্বপ্নের দেশ ?,
হারিয়ে গেছে সব সততার ছবি
মানবিকতাহীন অসহ্য পাপ ,অবক্ষয়েই দিন শেষ ।
শান্তির বানী আজ শ্মশানে কাঁদে ,
বাঁচার অধিকার আজ মৃত্যুর ফাঁদে ।
প্রেমের কবিতা লিখো তোমরা -
জন্মেছ যারা সোনার চামচ মুখে,
বুভুক্ষু সমাজে আমি দিশাহারা,
শুধু হাহাকার, যন্ত্রণা আমার বুকে।
'
Comments
Post a Comment