Posts

Showing posts from March, 2018
"ফুল চুরি " আসুন আজ একটা মজার ঘটনা শোনাই । ২৪ ঘন্টা প্রচার করেছে আজ ১৯ তারিখ গ্রহাণুর আঘাতে পৃথিবী  ধ্বংস হবে ,তাই ভুলে থাকতে চাই । বছর তিনেকের আগের ঘটনা ,মা কিছু গাছ শখ করে লাগিয়েছে ,সুন্দর সুন্দর ফুল ফুটছে আর মা মনের সুখে ঠাকুরের পায়ে দিয়ে আনন্দ বিহ্বলে প্রণাম করে যাচ্চে । কিন্তু কিছুদিন পর থেকে দেখা গেল সকাল বেলায় গাছ  ফাঁকা একটাও ফুল আর থাকছে না ।কে বা কারা রোজ ফুল তুলে নিয়ে যাচেছ ,মার মন খারপ ।নিজের বাগানের ফুল থাকতে রোজ ফুল কিনতে হচ্ছে । একদিন সকালে চিৎ্কার চেঁচামেচি লোকজন ছোটাছুটি,কিছুক্ষণ বাদে পুলিশ এল ।কেস কি ,না সকাল বেলাতেই পাশের বাড়ির মাসিমার গলার সাতনুরীর হার ছিনতাই হয়েছে । অবাক কাণ্ড পরদিন থেকে গাছে গাছে ফুল ফুল ফুটে আছে ,টুনটুনি ,মৌটুসী ,তিড়িং তিড়িং লাফাচ্ছে আর ট্যা ট্যা করে ডাকছে ।মা মনের সুখে হাসিমুখে ফুল তুলছে । ব্যাপারটা দুদিন বাদে জানলাম ওই মাসিমাই রোজ ফুল তুলে নিয়ে যেতেন । ছিনতাইবাজরা সেটা লক্ষ্য করে একদিন মাসিমার গলায় পিস্তল ঠেকিয়ে হার ছিনতাই করে নিয়ে যায় ।সেই থেকে উনি আর ভোররাতে ফুল তুলতে আসতেন না ।আমাদের আর ফুল চুরিও হতো না ।
"মায়ের কোলে " ২০-১১-২০১৭ মায়ের কোলে ঘুমায় শিশু পরম নিশ্চিন্তে , মধুর হাসি সদাই দেখি মায়ের  মুখ প্রান্তে । ওমা তোর দুঃখ কিসের আমি তো আছি - সকল বিষাদ হরণ করে থাকবো কাছা কাছি । তোর কপালের সিঁদুর নিয়ে ভোরের রবি ওঠে - ধন্য জনম পেয়ে মাগো চুম্বন তোর ঠোঁটে ।
" জাগ যুগপুরুষ " ২০-১১-২০১৭ প্রবীর কুমার চৌধুরী চিরঘুমে শায়িত তুমি হে যুগপুরুষ , নিষাদের যে তীর কাঁপতে কাঁপতে বিদ্ধ করেছিল তোমায় - আজ সেই  তীরেই বিদ্ধ সকল মানবজাতী । বিশৃঙ্খলিত আজ তোমার সাজানো পৃথ্বী । সাম্য আর গণতন্ত্রের গান গেয়েছিলে তুমি , আপন পৌরুষ আর গরিমায় গড়েছিলে - মানুষের মানবিক ভারসাম্য । পাপের সাম্রাজ্যে স্বপ্ন দেখিয়েছিলে -  ন্যয় ,সত্য আর সুন্দরের , আজ তুমিহীনতায় ভরে গেছে - পাপাচার আর মিথ্যার বেসাতি  । দিগ দিগন্তে কংস প্রাণ পেয়েছে ফিরে , অত্যাচারে উন্মত্ত মাতাল , নিষ্ঠুর ,কামনায় ভরে উঠেছে শান্ত পৃথিবী । হে মধুসূদন ,হে গদাধর ,জাগ্রত হও - দেখাও তোমার বিশ্বরূপ মানবতার কল্যাণে । ধর্মরাষ্ট্র প্রতিষ্ঠাকারী হে মহান নেতা - ভক্তিবাদের মায়াবি চেতনার হে উদারচেতা , নবরূপে তুমি আজ এস ভগবান , শান্তিরাজ্য প্রতিষ্ঠায় তোমাকে আহ্বান । নবভারতের প্রয়োজনে হোক পুনমহাভারত- শঙ্খ ,চক্র,গদা ,পদ্মেশোভিত পদাঘাতে - বিদীর্ণ হোকদুর্জন,শত্রুহীন হোক পবিত্র ভূমি হে মহাসারথি বাজাও তোমার পাঞ্চজন্য , বিশ্বরূপ দেখাও প্রভু নতুন কুরুক্ষেত্রে- মানবতা জাগুক ,আজকের রনক্ষেত্র...
"আধুনিক সভ্যতা "২১-১১-২০১৭ প্রবীর কুমার চৌধুরী এখন মনগুলো সব বিষিয়ে গেছে , সবাই সবাইকে ভাবছি প্রতিদন্দী , আকাশের চাঁদ লাফিয়ে লাফিয়ে বেড়ায়  । আমার বুকের পাঁজরে পাঁজরে শুরু হয় যন্ত্রণা - চাঁদ হাসে তাচ্ছিল্যে, আমি  কি আর নেই আমিতে ? শহরের রাজপথ দিশাহীন ,ছন্নছাড়া , যে যখন পারছে চড়ে বসছে অপরের মাথায় পাগলা কুকুর ছুটছে আপন খেয়ালে । নৈব্যক্তীক শুধু কানামাছি খেলা - শতাব্দীর পর শতাব্দী ....., চাঁদ লাফিয়ে লাফিয়ে উঠছে - মাথায় ,সুউচ্চ অট্টালিকা কখনো  মনুমেন্ট। রক্ষক এখন ভক্ষক আয়েশে আরামে । শিশু ভোলানো গল্পের ঝুলি আমার মাথায় পেটের খিদে পেটে চেপে হাসপাতাল যাই , মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লরি ,একা একা । মা ,বোন আর মা ,বোন নেই , দাড়িপাল্লায় মেপে মেপে দাম ওঠে - টুকরো টুকরো জ্যোৎ্স্না ভেঙ্গে - চাঁদের সৌন্দর্যে ঘেঁটে ঘেঁটে - উত্তেজনা মেটায় শরীর চক্রের রসায়নে । আমার পাঁজরের সিঁড়িবেয়ে - পায়ে পায়ে উঠে আসে বন্ধুত্বের ভালোবাসা , সাধের স্বপ্নরা ঘুমায় শ্মশানের চিতায় , রক্তচক্ষু শকুনেরা আগেই পৌঁছে গেছে সেখানে । আমার রক্তে তুলি ডুবিয়ে ছবি হয় ক্যানভাসে,  মুগ্ধ দর্শকে ভর...
"এখনও প্রতীক্ষায় "২৩-১১-২০১৭ প্রবীর কুমার চৌধুরী তোমার দংস্ট্র। বিষিয়েছে প্রেম , বিষুবরেখা থেকে সূর্যের দক্ষিণে - বাঁচার আকুল আর্তনাদে ভেসে যাই আমি , দণ্ডপাণি এসেছে ,হেসেছে অকালেই । তোষামোদি যত চাটুকার - স্বার্থের অন্বেষণে ঘুরে মরে পথময় , ত্রিবেণী সঙ্গমে পুণ্য নেই আছে শুধু ত্রিপাপ। ত্রিদিব বিষিয়েছে ত্রিদোষ অনুকার । আছে কি কোন ত্রিকালজ্ঞ - বলেদেবে আগামী ভবিষ্যত ? অক্ষমতার দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে , প্রতিবাদহীন প্রতিবন্ধি এখন আমরা । আজকের শিশুর মুখের  নিষ্পাপ হাসি - ছড়িয়ে পড়ুক নির্মল আকাশের বুকে , কালকের প্রভাতে ছড়িয়ে পড়ুক - বারি ধারায় বন্ধ্যা এ পৃথিবীর মুখে । সংরক্ষিত /২৩-১১-১৭
অনুভব কর তুমি বর্তমানের কথা ? সমাজের চোখের জলে পাও কি ব্যথা ? আকাশ জুড়ে কালো মেঘ কিসের সংকেত ? মন মানে না ভয়েই মরি এতোই বিভেদ । প্রতি সকাল বেদন ভরা ,দুঃখ থরেথরে বাঁচার বুকে তীর বিঁধে যায় মৃত্যু আছে ঘিরে , সূর্যরথে সময় কাটে বিফল গেল বেলা লোভের হাটে বিকিয়ে বিবেক সাঙ্গ হলো খেলা ।
"দক্ষিণ ভ্রমণ " প্রবীর কুমার চৌধুরী গতির সাথে তাল মিলিয়ে চলছি আমি ভাই , অজানা পথে ,নতুন শহরে ডাকছে যখন যাই - দেখি নতুন কি পাই । অশান্ত মন , একঘেয়েমি , ভাল্লাগে না দূর ছাই । রইল পরে জন্মভূমি ,রইল পিছে ভাষা , বিষাদ ভরা মনে আমার নতুন দেখার নেশা। সঙ্গী সাথীর হুল্লোড়ে আজ বন্ধ লেখার  কাজ- রেলের গতি দেখায় শহর ,দেখায় রূপ , সাজ । মুঠোফোনে কত কথা যেন স্বজন সাথে , সাথে , সাবধানবাণী,সামালসামাল,থাকবি দুটি হাতে । মায়ের ছায়া ভীষণ মায়া যেন চলছে বেড়াতে- কি করি ভাই ফস্কা গেরো না পারি এড়াতে । রেলের ঘরে দুটি রাত , ঘুমহীন দুটি চোখ - সবুজে মাখানো গ্রামগুলো সব এনে দিল ঝোঁক , অজানা ভাষা , নতুন পোশাক , কতই রকমারি - কৌতূহলের নতুন শহর কেউ না অহংকারী। ক্লান্তিহীন শুধুই ঘোরা , জানার বাসনা - অবাক চোখের অপার সুখ সবই অচেনা । মহীশূর সুন্দর শহর ইতিহাসের পাতা - সবুজ গাছের ছড়াছড়ি যেন মাথায় ছাতা । মহীশূর প্যালেস , টিপুর বাগান , বৃন্দাবন গার্ডেন , পাহাড় পথে বুক দূরদূর যাচ্ছি যেন হ্যাভেন- চামুন্ডা হিলস দিল সুখ দেবী আমায় দেখেন । শহর ঘুরে দেখে নিলাম চার্চে যীশুওআছেন। । মীনাক্ষী মন্দি...
"প্রত্যাশা " ০৭-১২-২০১৭  প্রবীর কুমার চৌধুরী । সুপ্রভাত ,  আগামী দিন  যেন হয় শান্তির । সবে মিলে এসো দু হাতে সরাই - যত  মুখোশের আড়ালের মুখ , সরাই জঞ্জাল রাস্তা ও ফুটপাত থেকে , পৃথিবিটাকে  করে তুলি  আগামী দিনের বাসযোগ্য ।আগামি দিনে যারা আসবে - বেড়ে  উঠুক হাসতে  হাসতে । খোলা  থাক মাঠ ,  বয়ে যাক নির্মল বাতাস , আনন্দ থাক মনে, আগাছা সরিয়ে সুস্থতায় নিশ্বাস নিক গাছ । যত দেনা পাওনা , হিসেব নিকেশ - স্থগিত থাক ভালবাসার অন্তরালে । হিংসা ভুলুক এ অশান্ত মন , বিভেদ , আতঙ্ক - হোক সব শান্ত । উঠুক না নব জাগরন ।  দিকে দিকে বড় অসময়, নদীতে  প্লাবন , হাল ভাঙ্গা পাল ছেঁড়া । কে করবে  পারাপার ? পিছিয়ে যে যৌবন , শুধু আহবান - দক্ষ মাঝি কে আছ  হও  আগুয়ান ? দেখ দিকবাল  আলোর  বিস্তার , উদাত্ত পৃথিবী । যেতে  চাও  যাও  একাকি, সামনে দূর প্রান্তর , খোলা খোলা মন , অশান্ত জীবন । সবুজে  ঢ়েকে যাক এ ভুবন । অন্ধকারের যত নির্মম খেলা , যত মিথ্যার বেসাতি - এস আগামী ,বন্ধ করি ঐ বেলা । আজ প্রভাতে ...
"বিজয় দিবসে এই শুধু প্রার্থনা  " ১২-১২-২০১৭ প্রবীর কুমার চৌধুরী এ কোন বিজয় উৎসব , এ কোন স্বরাজ - কেন লঙ্ঘিত মানবিকতা, অবাধ পাপাৎরাজ ? লোভের ডানায় মৃত্যুর আর্তনাদ , মায়ের চোখে জল - বেইজ্জত , অনাহার কে চেয়েছিল বল ? শপদের কথা দূষিত আকাশে , বৃথাই আজ আত্মদান , পূর্বপুরুষ গুমরি কাঁদে সোহেনা ভগবান । পরাধীন দেশে প্রেম ছিল অভিশপ্ত , মৃত্যুর পথে ছিল কত বাঁধা কত রক্ত , মহামিলনের স্বপ্ন সেদিন নিরুপায় - আজ স্বরাজ দেখি অত্যাচারীর হাতে অসহায় । এমন দেশটির জন্যেই কি এত রক্তদান কে চেয়েছিল এমন স্বরাজ কেন এত  শয়তান? এ কোন সকাল আসে অবিরত , চোখে জল , হতাশা , বুকে নিয়ে ক্ষত , প্রভাতের খবরে একরাশ মৃত্যু, চাই নাত - এত নৃশংসতা , এত হিংসা , নিস্ফল হতাহত । আজিকের এই মেঘলার বিদায় বেলায় - দূরহোক অবক্ষয় , দুর্জয় সূর্যকিরণে আর  মানবিকতার করাঘাতে - ফিরুক প্রেম , একতার বন্ধনে বাঁচার আশা , সেই দিনের অপেক্ষায় রেখেছি সবটুকু ভালোবাসা । অগ্নি শুদ্ধি হোক , মৃত্যু নয়তো - আগুন ফাগুন হয়ে শান্তি  হয়তো । জ্বালাতে হলে পাপকে জ্বেলো পাপীকে নয় , ভালোবাসায় দখল কর , পৃথিবী কর জয় । এখন ...
"পিতৃ বন্দনা " ১৪-১২-২০১৭ প্রবীর কুমার চৌধুরী মনে পরে সাজান থরে থরে - তোমার স্মৃতির ডালি গহন অন্তরে , শুভ জন্মক্ষণে, হাসিমুখে হয়তো দিয়েছিলে চুম্বন । কত ত্যাগ , তিতিক্ষা , সুদিনের অপেক্ষা , কত প্রলোভন জয় করে শততার অবলম্বন - আমায় দিয়েছিলে মানবিকতার শিক্ষা । তুমিই শিখিয়ে ছিলে কাকে বলে ভালোবাসা- তোমার হাতধরেই খুঁজেছিলাম স্বপ্নের নব আশা , প্রতিক্ষণে শান্ত মনে জেনেছি ত্যাগের মর্ম - আজ আমি সুখী জেনেছি জীবনের ধর্ম । আমার সবকিছু একদিকে অন্যদিকে শুধু  তুমি - ধূসর পৃথিবীর মৌনতা ভেঙ্গে  শুধু তোমারি গান শুনি । এখন আকাশে তমসার ছায়া  , কোথায় অভয়া , শুধু মায়াহীনের কায়া , এখন সময় আর্তনাদের ভূদরে । শুধু তোমার আলোয় সাজানো সুন্দরে - পুলকে পুলকে নিশিদিন ভেসে যাই , বন্ধনহারা সৃষ্টি সুন্দরে দুচোখ ভরে পাই । তোমার দেখানো পথেই তো আমার পথচলা , আলোর ঝরনাধারায় দাঁড়িয়ে কথাবলা , সদাই যেন করে আহ্বান তোমার দূরদৃষ্টি - সাজায়ে রেখেছ এ ধরাতলে নব নব সৃষ্টি । তোমার আলোয় যা কিছু দেখি, সাজানো সুন্দরে । আমি দিবানিশি ঘুরে বেড়াই সৃষ্টির বন্দরে । আমি গাই তোমার জয়গান - কেমনে ভুলিবো ...
এই  মেয়ে তোর চলন বলন বিপদজনক আজ সামাল সামাল পোশাক আশাক ঢঙ্গে নেই কাজ় । চলিস যখন তুফান তোলে - তোর বাঁকা হাসি আগুন জ্বালে , সমাজ ভাঙ্গা বিপদগুলো আসে বজ্রনাদে- নিরীহ প্রাণে
(৪৭ তম বিজয় দিবসে সবাইকে জানাই আমার  আন্তরিক ভালোবাসা ও শুভেচ্ছা  ) "স্বাধীনতার বিজয় উৎসব " ১৬-১২-২০১৭ প্রবীর কুমার চৌধুরী স্বাধীনতা  তুমি মায়ের চোখের আকুল চাউনি , স্বাধীনতা তুমি মাথা রাখার নিশ্চিন্ত ছাউনি । স্বাধীনতা তুমি বাঁচতে চাওযার মধুর আশা- স্বাধীনতা তুমি মায়ের  বুকের অমূল্য ভালোবাসা । স্বাধীনতা তুমি প্রিয়ার বুকের গোপন স্বপ্ন , স্বাধীনতা  তুমি অত্যাচারের বিদ্রোহে মগ্ন । স্বাধীনতা তুমি দেশমাতার বুকের গভীর  বঞ্চনা - স্বাধীনতা তুমি অন্যায় আঘাতের প্রতিশোধস্পৃহার গোপন যন্ত্রনা । নটি মাসের দীর্ঘ সংগ্রামের আজ পুণ্য দিন - তিরিশ লক্ষ্য প্রানের বিনিময়ে পাওয়া আলাদিন । অত্যাচারের করুন ইতিহাস প্রতিটি চোখের পাতায়- হতাশার শেষ , স্বাধীন দেশ , কত অশ্রু লেখায় । একাত্তরের গণহত্যা আজও বিশ্বের চর্চা - পাঁচ লক্ষ্য অসহায় মা বোন হল ধর্ষিতা , রাজাকার ,আল বদর , আল শামস্ পাক হানাদার - বেইমান, বিশ্বাসঘাতকের ষড়যন্ত্রে বাংলা হল ছারখার। ষোলই ডিসেম্বর , উনিশশো একাত্তর - শয়তান পাকবাহিনী পেল যোগ্য  উত্তর , বাঙ্গালীর মুক্তিযূদ্ধ আর বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্ব ...
"  আমার ছায়া " ১৭-১২-২০১৭ প্রবীর কুমার  চৌধুরী ছায়াটুকু থাকবে পরে আমার সকল কাজে থাকবো নাক আর কখনো সকাল কিংবা সাঁজে । অবসরে , ক্লান্ত বেলায় তোমরা প্রিয় খুঁজবে - ভালোবাসার আসল মানে সেদিন শুধু বুঝবে । আমার ছাযা শুধুই থাকে আমার সাথে সাথে , আমার সাথেই বিনাশ তার একই বিছানাতে- কত ঝড় , কতোই দুঃখ , তবু নিত্য আমার সঙ্গী, এমন ব্ন্ধু  মিলবে নাগো এমন একাঙ্গী। সূযোদয়ে সামনে থাকে, দুপুরবেলা নিচে - বিকেল হলেই ভালোবাসা লুকায়দেহে নিজে , এমন ব্ন্ধু  কোথায় পাব কায়ার সাথে ছায়া - আজন্মকাল বিশ্বাসী ভাই , এতই তার মায়া।
"যুগ পরিবর্তন" ১৮-১২-২০১৭ প্রবীর কুমার চৌধুরী বিশ্বাস এখন খুঁজতে হয় তৈলচিত্রে,ইতিহাসের পাতায় , হৃদয়ের আঙ্গিনায় এখন অবিশ্বাসের দীর্ঘশ্বাস খেলা করে । রাতের ঘুমগুলো দমবন্ধ , মিথ্যাস্বপ্নের  - বৈবাহিক চুক্তি এতই ঠুনকো যে প্রতিনিয়ত-  ভাঙছে আর ভাঙছে , জ্যোৎ্স্নার স্তন দুধহীন,  প্রেম বিরহী, চাঁদের কলঙ্ক অসহনীয় থরে থরে , ভারে ভারে । সুখী গৃহকোন ক্রমশ মলিনতায় কাঁদে , আস্তাহীন সমাজে অন্তহীন চাহিদা আর পরস্পরের দোষারোপ । এখন সমাজের পাওনা মেটাতে  আমি হিমসিম, খেসারত - দিতে দিতেই  পৌঁছাই  শ্মশানের চিতায়। সন্দেহের্ পুষ্টি ধারণ করেছে শরীর - ক্ষোভ ,অখুশি ,অসন্তুষ্ট ,বাসা বেঁধেছে দেহ মন্দিরে । প্রতিটি প্রভাতে হাঁড়িকাঠে ঝোলে বিশ্বাসের প্রেম, প্রীতি , লোভেরা জল্লাদের বেশে , একবিংশ শতাব্দীর বাবার হাতে ধর্ষিত মেয়ে, কন্যাসম ছাত্রীর শ্লীলতাহানী  করে শিক্ষক , কলির কল্কে মুখে নীরব অত্যাচারের মহড়া। জন্মদাতা চোখের জলে ভাসে রাজপথ - সন্তানের হাতে নিগৃহীতা মা, সম্পদের লোভ গিলেছে ভালোবাসা,  বিশ্বাস। আমি আরশিতে দেখি - নেশা ছড়িয়ে দিশা দেখায় অপাংতেয় ভবিষ্যত...
বিভাগ -পদ্য কবিতা "রক্তের সম্পর্ক " ২০-১২-২০১৭ প্রবীর কুমার চৌধুরী মার পেটের ভাই ওরে কোথায় গেলে পাই সুখে দুখে যেমন থাকি কাছে রাখা চাই । প্রিয় আমার স্বপ্ন আমার তুই তো আমার সব, মায়ের মুখ তোরই মুখে মেটে মনস্তাব । চল যাই ভাই দুই ভাই গঙ্গার ঘাটে- মায়ের চিতাভস্ম সেথায় আছে আনবো বাটে। মায়ের পেটের ভাই কোথায় গেলে পাই জীবনে মরণের চিরসাথী রক্তের ভিন্নতা নাই একইগর্ভের দুটি ভ্রূণ ,একই বংশগতি একই পিতার ঔরশজাত একই ভিটে মাটি । সেই সম্পর্কেই বিভেদ আনে সংসারের ক্ষোভ সেই সম্পর্ক ভুলতে বসে ক্ষমতার কি লোভ কি নিয়ে এসেছি কি নিয়ে যাব বড় নির্বোধ মানব আজ বাদে কাল মৃত্যু হবে সঙ্গে যাবে কি  ক্ষোভ ? এই কথা কারে বোঝাই,কেউ বলেনা চাইনা মায়ারাত এসেচাহিদা বাড়ায় ,আপন কেউ হয়না। এ সংসার বড় বিচিত্র ,বিচিত্র মানব ধর্ম মানব জীবনের নানান খেলা নিত্য নানা কর্ম । তবু দেখ নারীর টান যায় নাতো সহজে ভাইবোনের কিছু হলে টান পরে দেরাজে।
অনু কবিতা "শেষ প্রহরে " 19-12-2017 প্রবীর কুমার চৌধুরী তুমি তুমি করেই কেটে যায় সারা বেলা, তবু তুমি উদাসীন অভিমানী, ভেঙে দাও সাজানো মেলে। সকাল সাঁজে এ মন কাঁদে - মনে হয় বৃথা সব এ কোকোনদে , ফিরিতে চাই, তারে কোথা পাই- যে পাওয়াই পরম ,যারে ছাড়া গতি নাই ।
"শুধু  কামনা"21-12-2017 প্রবীর কুমার চৌধুরী আমি ক্লান্ত , পথশ্রান্ত চিন্তামগ্ন প্রতিক্ষণে ক্ষণে , বিবেকের কষাঘাতে , পাপিষ্ঠের অভিঘাতে পাপানলের পদার্পণে অভিশাপ দিই - স্তব্দ হোক পাপাচার এ ভুবনে  । এখনো আছে সময় , আছে কিছু ভাল হৃদয় , মাঙ্গলিকের প্রদীপ জ্বালো , কিছু ভাল  আলো - পথে রেখেছি , ভালোবেসেছি , দুহাতে সরিয়ে হিংসার জঞ্জাল , এখুনি মুক্ত করি  এস আগের সমস্ত  ভুলভাল । কালকের শিশু হাসুক , সুখে থাকুক , পৃথিবীকে তারা মুক্ত বাতাসে পবিত্র রাখুক । খড়্গ হাতে স্বর্গ হতে এস কর বিনাশ - যারা কেড়ে খায় তোমার সন্তানের মুখের গ্রাস । " আনব বোমার নাই কোন দরকারই- শুধু চাই খিদের পেটে ডাল, ভাত ,তরকারি "। সংরক্ষিত /২১-১২-২০১৭
বিভাগ -পদ্য কবিতা "রক্তের সম্পর্ক " ২০-১২-২০১৭ প্রবীর কুমার চৌধুরী মার পেটের ভাই ওরে কোথায় গেলে পাই সুখে দুখে যেমন থাকি কাছে রাখা চাই । প্রিয় আমার স্বপ্ন আমার তুই তো আমার সব, মায়ের মুখ তোরই মুখে মেটে মনস্তাব । চল যাই ভাই দুই ভাই গঙ্গার ঘাটে- মায়ের চিতাভস্ম সেথায় আছে আনবো বাটে। মায়ের পেটের ভাই কোথায় গেলে পাই জীবনে মরণের চিরসাথী রক্তের ভিন্নতা নাই একইগর্ভের দুটি ভ্রূণ ,একই বংশগতি একই পিতার ঔরশজাত একই ভিটে মাটি । সেই সম্পর্কেই বিভেদ আনে সংসারের ক্ষোভ সেই সম্পর্ক ভুলতে বসে ক্ষমতার কি লোভ কি নিয়ে এসেছি কি নিয়ে যাব বড় নির্বোধ মানব আজ বাদে কাল মৃত্যু হবে সঙ্গে যাবে কি  ক্ষোভ ? এই কথা কারে বোঝাই,কেউ বলেনা চাইনা মায়ারাত এসেচাহিদা বাড়ায় ,আপন কেউ হয়না। এ সংসার বড় বিচিত্র ,বিচিত্র মানব ধর্ম মানব জীবনের নানান খেলা নিত্য নানা কর্ম । তবু দেখ নারীর টান যায় নাতো সহজে ভাইবোনের কিছু হলে টান পরে দেরাজে।
"শীতের কথা জীবনের মাঝে' ( প্রথম পর্ব ) শীতের ভোরে চলার সুরু আমার আছেন সহায় গুরু ভোরের কুয়াশা শহর জুড়ে মুক্ত শিশির ঘাসের উপরে । গ্রাম শহর মহানগর জীবিকার অন্বেষণে দুহাতে কুয়াশা ঠেলে চলেছে একমনে ক্ষুধার্থ জনজীবন । শূন্য রাজপথ ,আরামে আয়েশে নিদ্রামগ্ন বিত্ত্ব ,তারি মাঝে বাঁচার মহারণ। ক্লান্তিহীন সংগ্রাম,কসূর্যমুখি হাসে ছেঁড়া তমসুখ , বিত্তহীনতা আসেপাশে বিরামহীন পথচলা দুচোখে স্বপ্ন - জীবনেবাঁচতে হবে দুহাতে,কর্মেই মগ্ন। শীতের ভোরে চলার শুরু জীবনের পথ এবড়ো খেবরো সরু সরু নেই সাহারা ,নেই অবকাশ,কম্পন থরথর পেটের জ্বলায় ভুলেছি ভয়ডর পেছনে এখনও অনেক অপেক্ষায় কথা বলে সংসারের কজোড়া দৃষ্টির করুণ চোখ আমায় ভুলায় ছলে বলে ।
অনু কবিতা "আমার সোনা "২৩-১২-২০১৭ প্রবীর কুমার চৌধুরী আমারও সোনা চাঁদের কণা - হেঁটে যায় গুটি গুটি পায়ে ,  মুখে নিষ্পাপ হাসি, আহ্লাদে আটখানা, বাঙালি সেজেছে দেখি ধুতি পাঞ্জাবি গায়ে । সুখে থাক বাছা ,বুকের থাক আশা - ঘরে থাক হাসি ,আনন্দ , দু হাতে ভরুক জগৎ জোড়া ভালোবাসা বিবেকপূর্ণ মানুষ হোক , কর্মে হোক সম্পূর্ণ ।
শুভসকাল ,হিমেল হওয়ায় ঘুম ভেঙে ভাবি এ কোন সকাল ? তাপদগ্ধ , ভাদ্রদহন ,শরীর যখন  শ্মশান - হটাৎ কুয়াশার চাদরে ,শিশির কণা,এ কিসের আহবান ?
জন্ম-৭ই,অক্টোবর ,১৯৬১। পেশা - চাকুরী । নিবাস  কলকাতা ।ভারত । লেখালেখি মধ্য চল্লিশ থেকে শুরু । বিভিন্ন পত্রিকায়- আহবকাল, জাগৃহি,অন্যকথা, সুপর্ণ ,গাঙ্গেয় সন্দরবন বার্তা , সাজি , অক্ষর পাত , আমি অনন্যা আরো বিভিন্ন পত্রিকায় নিয়মিত লেখেন ।বর্তমানে প্রায় সব ফেসবুক গ্রূপ এ লিখে আনন্দ পান । কেজো পৃথিবীর থেকে মুক্তি পাওয়ার অভিলাশে  নাটক, থিয়েটার,আবৃত্তি, কখন মঞ্চে কখন টিভি সিরিয়ালে অভিনয়  করে সময় কাটিয়েছেন ।কখনও নিঃস্ব বাউলের  একতারার মত বেজে উঠেছেন উদাসি গলায় ।আবার কখনও অধরা মাধুরিতে ছন্দ বন্ধনের খেলায় মেতে ওঠেন তার প্রতিবাদের কবিতায় । ফেসবুকে প্রথম কবির কবিতা লেখা শুরু তারপর বিভিন্ন লিটিল ম্যাগাজিনে লেখেন এখন দেশের সীমা ছাড়িয়ে দেশের বাইরেও তাঁর কবিতা প্রকাশিত ও প্রশংসিত ।আজ কবি বিভিন্ন সাহিত্য পত্রিকা থেকে বহু পুরস্কার ,লেখনী সম্মান ,সসম্মানা পত্র পেয়েছেন। ২০১৭ এ কবি বিশ্ববঙ্গ বাংলা সাহিত্য একাডেমি থেকে  "কাব্য ভারতী " উপাধি এবং  ওই বছরই কবি কাব্যশ্রী সাহিত্য সসম্মনা সনদ লাভ করেন । প্রিয় গান - রবীন্দ্র সংগীত , নজরুলগীতি । ক্লাসিকাল ,ঠুমরি । প্রিয় অসুখ...
বেকারের জ্বালা প্রবীর কুমার চৌধূরী ২৯-১২-২০১৭ কষ্ট করলে কেষ্ট মেলে প্রচলিত প্রবাদ , বাস্তবে মিলছে নাতো - শুধু বিত্তশালী বাবা , কাকাই অবাধ । রাতের পর রাত জেগে চাকুরীর পরীক্ষা - আর শিকে ছিঁড়বে কবে,আরকতঅপেক্ষা ? বিয়ের ফুল শুকিয়ে গেল  সংসার এখন দূর্স্বপ্ন, মা বাবার চোখে জল আমি এখনও অকর্ম । অর্থের খেলার মাঠে চাকুরীর লীগ চলে চুল দাঁড়ি পেকে গেল অবহেলে অবহেলে । আর যদি ঘুম না ভাঙ্গে সুন্দর সকালে সেই সুখ আছে কি বেকারের কপালে ? "মাগো টাকা দে নয়তো দেখা দে "একি  ভাল্লাগে ? শ্মশান মুখো দাঁড়িয়ে অাছি, বাঁচার কথা কে বলে?
এসেছে বাক ও ধ্বনি ৩০-১২-২০১৭ প্রবীর কুমার চৌধুরী সবার প্রতি রেখেছে সে  আহবান ও আমন্ত্রণ কি করে এরাই একে এত প্রাণভরা নিমন্ত্রণ ? সৃষ্টির মাঝে, সাহিত্যের কাজে প্ৰেম ভরে- সদাই শুনি তার অনুরণন,কে আছিস ওরে আয় ছুটে আয় ,দেখে যা এসেছে "বাক ও ধ্বনি" - হৃদয় মাঝে একি তোলপাড় এতো চোখের মণি । কে বলে তোর স্থান নেই ,হাত ধরবে সখা , মুছিয়ে দেবে আঁখিজল আর নয় তুই একা, দুর্দম ঢেউ ভেঙে এবার শুরু তোর রাজসূয়- দিবস রাতি মহা উল্লাস মাথায় রবে মহীরুহ। ছন্দবাণীর মহারথে চড়ে এসেছে প্রিয় "বাক ও ধ্বনি '। যেন নববসন্তে মেতেছে দিকে দিকে কবিতা রানী । চলবো মোরা একসাথে সাহিত্যের সরণি বেয়ে , ওই দেখো দিগন্তে দামাল কাব্যপ্রেমী আসছে ধেয়ে । মুছে যাক দলাদলী উচ্চ নিচ ভেদাভেদ একতার মাঝে হোক বিলীন যত নির্বেদ । এখন আহবকাল- জাগছে মহাকাল , শুনি শঙ্খধ্বনি, চাই অবাধ স্বাধীনতা , দূর হোক স্রষ্টার যত দীনতা আর হীনতা ।
" গোপালের মা"  ৩১-১২-২০১৭ প্রবীর কুমার চৌধুরী   জীবনের ছেঁড়া পাতা উল্টিয়ে দেখো আবর্জনার স্তুপে পরে আছে কত ত্যাগ ,কত আত্মবলিদান । যার রক্তাক্ত ফসল আজ - আমরা আমোদে প্রমোদে করি আত্মসাৎ ।কেউ কথা রাখে নি - কেউ ফেলেনি চোখের জল , দেউলিয়া মানবিকতার বৃথা শ্রম, বৃথা কর্মফল। জীবনের সব কিছু  হারিয়ে,দুই হাত বাড়িয়ে- যে কজন   সর্বস্বান্ত  ,অস্তিত্বহীন, অসহায় - যারা অবহেলিত হতে হতে আজ মৃত্যুর দিন গোনে,কে রাখে খবর তার ,? অবজ্ঞার আড়ালে- শেষেরদিনেরঅপেক্ষায় ,শূন্য থালা হাতে - বেদনার রাজপথে হেঁটে যায় ক্লান্ত পায় । গোপালের মা চোখে দেখে না - আলোহীন চোখ ,রক্তাক্ত হৃদয় আকুল আর্তনাদে- অন্ধকারে একাকী যার সুখ দুঃখ একাকার। সবাইকে ভাবে  তার প্রসব  যন্ত্রণার ফসল কোলের গোপাল। অন্ধকার জগতে , স্থবিরতার মাঝে - যেন কার পদধবনিকে জাপটে ধরে কেটে যায় মৌনতার প্রহর , অপেক্ষায় অধীর- শূন্যে দুইহাত মেলে আনন্দ বিহবল,বলে- " ও  মোর গুপাল ,  ঘরকে এলি ..."? খান খান হয় রাত্রি , গুমরে ওঠে বাতাস। জীবহাটের বন্ধ দরজায় আছড়ে পড়ে দীর্ঘশ্বাস । অবাক পৃথিবীর দুঃসহ যন্ত্রনায়...
" নব বর্ষের প্রত্যাশা " ৩১-১২-২০১৭ প্রবীর কুমার চৌধুরী অপূর্ব এ ধরণীর ছায়া তলে - কারা যেন প্রেম কারে ছলেবলে, কিছু দৈত্য করে কোলাহল , নববর্ষে তাদের দুরভিসন্ধি যেন হয় বিফল । ইংরাজি নববর্ষ সুখের,শান্তির হোক - প্রতিটি ঘরেই হাসি ফুটুক ,দূর হোক যত দুর্ভোগ । আগামী বছর হোক সুন্দর, প্রাণে জাগুক নব আশা , দুঃখের মুখে ছাই দিয়ে বুকে ভরুক প্রেম , ভালোবাসা। ভরুক ক্ষেত ফুলে ফলে ,খুলুক বন্ধ  সব দোর, বৈরিতা মুছে গিয়ে খুলে দিক শান্তির বাহুডোর । মহামিলনের গানে গানে মাতুক নব যৌবন - চোখ ভরে দেখি যেন প্রাণে প্রাণে একতার আহরণ । সংরক্ষিতপ্রবীর কুমার চৌধুরী /৩১-১২-১৭
"নতুন বছরের কামনা " ৩১-১২-২০১৭ প্রবীর কুমার চৌধুরী (রাত ১২ টা) কেমন করে এমন হলো ভাল্লাগে না ছাই, পিছে কেন এত মায়া বলতে পারিস ভাই? যারা যাবার চলে গেছে ,সামনে নতুন দিন -সবার কাছে প্রেমটুকু  চাই জীবন বড়ই ক্ষীণ। তুই ,আমি,আমরা সবাই জীবন মৃত্যুর দাস, সত্যি কথার অভাব দেখে জীবন হাঁসফাঁস । নতুন বছর হয় যেন  সুখে ভরা দিন - হাসব, খেলব,দু চোখ ভোরে দেখবো রঙিন । সুখে থাকুক সকল সাথী এই কামনা করি সবার মুখে হাসি দেখে আনন্দে যেন মরি । এই পৃথিবী এক নাট্যমঞ্চ আমরা অভিনেতা - আমার আমার মিথ্যা মায়া ,মিথ্যা অধিরতা।
" বেদনার বিছানায়"  ১৯-০২-২০১৮ প্রবীর কুমার চৌধুরী । বেদনার বিছানায়- মুড়ি দিয়ে শুয়ে আছে পৃথিবী, মুখে তার কলঙ্ক লেপে দিয়েছে কারা ? ক্ষত বুকে সমানে চলেছে রক্তক্ষরন, মায়া-মমতা ঘুমিয়ে এখন- সময় দিশাহারা । সূর্যকে জোর করে খেপিয়ে  তোলে , চোখে  তার  ক্রোধের আগুন, নিশ্বাসে ছড়ায় বেগুনি রশ্মি , ক্যান্সারে কাঁপিয়েছে ভূবন । মৃতুর পদাঘাতে সময় থরথর- শ্মশানে শান্তির মিছিল । অন্ধকার নেমে  আসে শান্তির বুকে , অভিশাপ প্রান পায় , অবক্ষয়ের পাষান চাপা স্বপনের বুকে, লাঞ্ছিত মনুষ্যত্বের  করুন হাহাকার। লোভের পারদে ধর্ষিত দেখি- সততার ইতিহাস । রাতজাগা গোলাপের  বুকভাটা কান্না- নিয়তির দুহাতে ভরে আছে , বাঁচার আবেদন খারিজ হয়েছে - ভালবাসার আদালতে ...।
" রাতগুলো এসে ঘুম চায় " ১৯-০২-২০১৮     প্রবীর কুমার চৌধুরী রাতগুলো একটু ঘুমাতে চায়- নিরুদ্বেগ শান্ত মনে , জোনাকিরা  হারিয়ে গেছে - কখন  কোন অন্তরালে । স্বপ্নরা দিশাহারা - আতঙ্কে ভরা চলার পথ, দিবস রজনী রক্তক্ষরন- শান্তি কবরে শুয়ে আছে ? ভ্রান্ত সময় ছুটে ছুটে এসে- চুপি চুপি কথা বলে , দিকে দিকে কুৎসিত অভিনয়, অবয়ব মুখোশে ঢ়াকা আছে । গর্ভের কোষগুলো- লোভের কাছে পদানত , দিকে দিকে মার খেয়ে- রক্ত নদিতে স্নান করে মানবতা । এখন বেদনায় ভরা বসন্ত নির্লজ্জতার রমরমা , নগ্নতার জালে প্রান ধড়ফড় - অন্ধকার কারাগারে মনুষ্যত্ব কাঁদে । পাপের সিঁড়ি ধরে উঠে আসে অবক্ষয় , নিভৃতে চলছে হিংসার সাথে রমণ , অবৈধ্যরা গভীর রাতের প্রহরী - নায়-নীতির হয়েছে বিসর্জন । সততার মুখে লুপ্ত ভাষা - ইতিহাসের পাতায় কালি, বিবেক মহারাজ ছিটকিনি তুলে ।। ঘুমিয়ে  পড়েন খালি ...।
" মগের মুলুকে " ২৪-০২-২০১৮ প্রবীর কুমার চৌধুরী খাও খাও বিরিয়ানি খাও, আর যত পার অসহায়ের - পিছনে খাল কেটে হলহলে করে দাও। তারপর আকাশ-বাতাস কাঁপিয়ে - ডুগডুগি বাজিয়ে বল -এস দেশ বাঁচাই। এখন কলমের কালি শুকিয়ে গেছে, সুখের আঙ্গুলে বাত, ঘুম  দিনরাত, এখন নজরুল, সুকান্তরা ঘুমিয়ে আছে । কবিতার দেউলিয়া পাতা এখন খেরোর খাতা , প্রতিবাদহীন সময়, বিপ্লব মরে কুপোকাত । দিকে দিকে শুধু ধর্ষণ,সাথে অকথ্য নির্যাতন- ভরে কান্নার হাটে, দম্ভের মাথায় সুখের প্রবল বর্ষণ , বল বল কটা আর চোখে পড়ে ? ঘরে-বায়রে ,লক্ষ্যে ,অলক্ষ্যে - কত দুর্বল নারী, মুখ বুজে সহ্য করে। চারিদিকে রঙের চাদর, লেকের গাছে, বাড়ির ছাদে কিছু কিছু বাদর, প্রেম প্রেম খেলা করে, মুখোশে আড়ালে  প্রেমের  অভিনয় , বিয়ের পর পর সুখের হাওয়া, ঘোরা ফেরা, খাওয়া দাওয়া । তারপর লালসার ছেঁদায় প্রানপন তাপ্পি । নানান প্রশ্ন চতুর্দিকে ,কত কথা মুখে মুখ- সুখের ঘরে তালা,কান ঝালাপালা, গোধূলির রঙ ফিকে, অশান্ত পৃথিবী ছোটে উল্টোপথে অশান্তির তাড়নায়। স্বপ্নভঙ্গ, ঘরে ফেরে দুঃখ ভরে নানা যাতনায় , কিছুদিন কলরব, তারপর নীরব - কান্নায় ভেসে ভেসে।...
" একটি প্রার্থনা  " ( ০৩-০৩-২০১৮ ) প্রবীর কুমার চৌধুরী পৃথিবীটা আজ বড় অশান্ত, বিভীষিকার ধুলি-কাদায় ক্লান্ত । উঠেছে অশান্ত ঝড়, ভেঙ্গেছে কত শত সুখের ঘর । এসো গাই সাম্যের গান , মানবতার হোক উত্থান , সমস্থ নিস্পাপ শিশু হাসুক , ধরনী ফুলে ফলে শান্তিতে ভাসুক। জেগে উঠুক নব যৌবন , শেষ হোক হিংসার প্লাবন। বিকশিত হোক্ সুপ্ত প্রতিভা - ভুবন ভরাক শান্তির কবিতা । ছোট ছোট আশা জাগুক আবার- দীর্ণ কুঠিরে,  প্রদীপ জ্বলুক সবার, মাছি না পরে কারু ভাতে। এস তার জন্যে কাজ করি দিনে রাতে। মায়ের কোলে ঘুমাক শিশু নীরবে,নিশ্চিন্তে। পৃথিবী ভুলুক শোক - দূর হোক  যত রোগ-ভোগ , অজ্ঞানতা দুরকরি ,আহা বলিহারি - এখনও জাতের নামে কি করে বজ্জাতি করি ? ভেবেছো কি শুধুই দুদিনের জীবন - বৃথাই কেটে যাবে এ সুখের  বেলা ? চল না মোছাই অসহায়ের  যত রোদন- ভাই বলে বুকে ধরি, যারা  সোয়েছে অবহেলা । যত লাঙ্গল আর কাস্তে - জং ধরে পড়ে আছে ঘরের কোনে , এস ,বাদাবন পরিস্কার করি ,কাস্তে হাতে- চষি ক্ষেত, স্বপ্ন দেখি জীবনের  গানে। ওই দেখো মুক্তির সূর্য দিয়েছে উকি, বসন্তের কোকিল এনেছে নত...
" জীবনের জয়গান " ২৭-০২-১৮ প্রবীর কুমার চৌধুরী ক্ষত-বিক্ষত মন- ক্লান্ত এ জীবন , জং ধরা খাঁচায়  মুক্তি খুঁজি । রক্তে রাঙ্গানো রাজপথে - পথ চলা নগ্নপদে , না পাওয়া দুঃখ নিয়ে দিন চলে যায় বুঝি । পৃথিবী সবারে চায়, রেখো না বেঁধে আমায়, মুক্ত কর চেতনার বাহুডোর । ওই শোন  ক্ষুধার আর্তনাদ - কেন পাবে না ওরা  তৃপ্তির স্বাদ ? ওদের ঘরে হাসি ফোটাবে না প্রতিটি ভোর? ব্যাঙ্কের লকারে টাকায় ছ্যদলা পড়ে, অপুষ্টি,অনাহারে এদেশের শিশুরা মরে, অথচ নিত্যদিন টাকার মালিক পায় সেলাম। আর কতদিন সইতে হবে দারিদ্যের বোঝা ? লাঙ্গল,কাস্তে,বেলচারা করে যাবে কষ্টের রোজা ? দিন-হীন্ বলে কি আজন্মের গোলাম ? স্বাধীনতা চেয়েছিল সাম্য , কারা করল দেশটাকে ছিন্ন-ভিন্ন? কারা লুটে পুটে  খেল গরীবের খাবার ? এ দেশে সবার আছে অধিকার - হেসে খেলে , সুখ শান্তিতে  বাঁচার , বিভেদের মালা ছিঁড়ে ,শান্তি ফিরুক সবার । দূর হোক যত অসাম্যের বেড়া- শিক্ষার আলোয় আলোকিত হোক এ ধরা, অধিকার বুঝে নিক বঞ্চিত প্রান। আয়রে আয় হতভাগ্য শ্রমিক,মেহনতির দল, নতুন করে গড়বো সমাজ সমস্বরে বল , আমরা বাঁচবো , আমরা গড়বো,...
" পরাধীন অন্তর " ২২-০২-২০১৮ প্রবীর কুমার চৌধুরী মুক্তির ডানা মেলে - উড়ে যেতে চায় মন , আমার শব্দটাই  মুছে গেছে , দিশাহিন পথে ,রুক্ষতার একা শুন্য জীবন । কুৎসিত দুনিয়ার কালো ধোঁয়ায় - ভরেছে ভুবন,শুদ্ধতা কিছু ফুসফুসে - ভরে নিতে চাই  বুক ভরে , কেন মৃত্যুরা ছুটে এসে  পথ রোধ করে? দেউলিয়া জীবনের হিসাব - সারাদিন তাড়া করে , কবিতার খাতার ওলটায় না পাতা , দুঃস্বপ্নের রাত শুধু কেঁদে কেঁদে মরে । দুইচোখে মরুভূমি ,একা একা হেঁটে চলি নিষ্ফল, ধুধু করে শুষ্ক প্রাণহীন প্রান্তর , স্বাধীনতা বারে বারে ফিরে এসে ধোঁকা খায় ভেজালের দেশে, লোভেরা এসে বিদ্রূপে হাসে -  এখনও বন্দিশালায় পরাধীন অন্তর ।
রূপান্তর ২৪-০২-২০১৮ প্রবীর কুমার চৌধুরী তোমাকে অনুভব করি নষ্ট মানুষের মধ্যে , তোমার হাসি কেড়ে খায় যত দুর্বিনীত নরপশু। তোমাকে ছিঁড়ে ছিঁড়ে খায় হিংস্র,কুৎসিত শকুনের দল। একদিন তুমিই এদের সংরক্ষণ করতে চেয়েছিলে। তোমাকে দেখতে চেয়েছি বিধাতার পরম আশীর্বাদ রূপে, তোমাকেই পেতে চেয়েছি কখনো- মাতৃরূপে,কখনো স্ত্রী,আবার কখনো কন্যা। তোমার মাঝেই পেয়েছি প্রেম,স্নেহ,প্রাণভরা শান্তি তোমার আকর্ষনেই ঘরে ফেরা,বেঁচে থাকা। তুমি এখন নষ্ট সমাজের দখলে লোভের মোহে দেহে তোমার শত কলঙ্কের পরিধান, বিজ্ঞাপনের উলঙ্গ আঙিনায় তোমার মুখচ্ছবি প্রতিমুহূর্তে আমার স্বপ্ন ভেঙে দেয়। গোপন অভিসারে নিজেকে হারাও ,হারাও সততার মাতৃত্বকে । প্রাচুর্যের আবেশে ভুলুণ্ঠিত তোমার আবরণ, অবাক পৃথিবী মুক,স্তব্দ অসুস্থ বসন্তের আহবান। এ কোন গ্রহ, বড় অচেনা, বড় দূরের ভালোবাসার মুখোশ এঁটে শয়তানের আনাগোনা, প্রতিটি রাত্রে জরায়ুতে পাপের প্রতিস্থাপন তারপর একদিন কোল দখল করে অভিশাপ। নির্মল সকাল হয় বিফল,বেদনাময় ধরণীতে নগ্নতার পৃথিবীতে ক্যানসার ,এইডসের অবাধ অবগাহন। নির্লজ্জ সঙ্গম খেলা করে প্রকাশ্যে । অসহায় বিধাতা,বিচারের বাণী ইত...
" মগের মুলুকে " ২৪-০২-২০১৮ প্রবীর কুমার চৌধুরী খাও খাও বিরিয়ানি খাও, আর যত পার অসহায়ের - পিছনে খাল কেটে হলহলে করে দাও। তারপর আকাশ-বাতাস কাঁপিয়ে - ডুগডুগি বাজিয়ে বল -এস দেশ বাঁচাই। এখন কলমের কালি শুকিয়ে গেছে, সুখের আঙ্গুলে বাত, ঘুম  দিনরাত, এখন নজরুল, সুকান্তরা ঘুমিয়ে আছে । কবিতার দেউলিয়া পাতা এখন খেরোর খাতা , প্রতিবাদহীন সময়, বিপ্লব মরে কুপোকাত । দিকে দিকে শুধু ধর্ষণ,সাথে অকথ্য নির্যাতন- ভরে কান্নার হাটে, দম্ভের মাথায় সুখের প্রবল বর্ষণ , বল বল কটা আর চোখে পড়ে ? ঘরে-বায়রে ,লক্ষ্যে ,অলক্ষ্যে - কত দুর্বল নারী, মুখ বুজে সহ্য করে। চারিদিকে রঙের চাদর, লেকের গাছে, বাড়ির ছাদে কিছু কিছু বাদর, প্রেম প্রেম খেলা করে, মুখোশে আড়ালে  প্রেমের  অভিনয় , বিয়ের পর পর সুখের হাওয়া, ঘোরা ফেরা, খাওয়া দাওয়া । তারপর লালসার ছেঁদায় প্রানপন তাপ্পি । নানান প্রশ্ন চতুর্দিকে ,কত কথা মুখে মুখ- সুখের ঘরে তালা,কান ঝালাপালা, গোধূলির রঙ ফিকে, অশান্ত পৃথিবী ছোটে উল্টোপথে অশান্তির তাড়নায়। স্বপ্নভঙ্গ, ঘরে ফেরে দুঃখ ভরে নানা যাতনায় , কিছুদিন কলরব, তারপর নীরব - কান্নায় ভেসে ভেসে।...
" একটি প্রার্থনা  " ( ০৩-০৩-২০১৮ ) প্রবীর কুমার চৌধুরী পৃথিবীটা আজ বড় অশান্ত, বিভীষিকার ধুলি-কাদায় ক্লান্ত । উঠেছে অশান্ত ঝড়, ভেঙ্গেছে কত শত সুখের ঘর । এসো গাই সাম্যের গান , মানবতার হোক উত্থান , সমস্থ নিস্পাপ শিশু হাসুক , ধরনী ফুলে ফলে শান্তিতে ভাসুক। জেগে উঠুক নব যৌবন , শেষ হোক হিংসার প্লাবন। বিকশিত হোক্ সুপ্ত প্রতিভা - ভুবন ভরাক শান্তির কবিতা । ছোট ছোট আশা জাগুক আবার- দীর্ণ কুঠিরে,  প্রদীপ জ্বলুক সবার, মাছি না পরে কারু ভাতে। এস তার জন্যে কাজ করি দিনে রাতে। মায়ের কোলে ঘুমাক শিশু নীরবে,নিশ্চিন্তে। পৃথিবী ভুলুক শোক - দূর হোক  যত রোগ-ভোগ , অজ্ঞানতা দুরকরি ,আহা বলিহারি - এখনও জাতের নামে কি করে বজ্জাতি করি ? ভেবেছো কি শুধুই দুদিনের জীবন - বৃথাই কেটে যাবে এ সুখের  বেলা ? চল না মোছাই অসহায়ের  যত রোদন- ভাই বলে বুকে ধরি, যারা  সোয়েছে অবহেলা । যত লাঙ্গল আর কাস্তে - জং ধরে পড়ে আছে ঘরের কোনে , এস ,বাদাবন পরিস্কার করি ,কাস্তে হাতে- চষি ক্ষেত, স্বপ্ন দেখি জীবনের  গানে। ওই দেখো মুক্তির সূর্য দিয়েছে উকি, বসন্তের কোকিল এনেছে নত...
রঙের মেলায় ২৭-০২-২০১৮ প্রবীর কুমার চৌধুরী ফাগের রং লাগুক মনে আসুক নতুন জীবন , বাসন্তিকার প্রেম রতনে ভরুক এ ভুবন। এই বসন্তের  সন্ধ্যগুলো হৃদয়ে ভরে থাক, স্বপ্নে দেখা দিনগুলো সব সবাই ফিরে পাক। স্বপন যদি মধুর এতো, চলনা খুঁজে আনি প্রিয়ার হাতে হাতটি দিলে হাসবে অভিমানী। কৃষ্ণচূড়া,রাধাচূড়ার মাথায় হাসে শশী - জ্যোৎস্না রাতে বাজবে  বাঁশি বলবো ভালোবাসি। আজ রঙে রঙে মাতোয়ারা এ মন- বসন্তের ডাকে আকাশ ছুঁতে চায় জীবন। অন্তিহীন পথচলা,আবিরে রাঙিয়ে  তোমায় পার্থক্য ঘুচে যাক, রুপান্তরিত হও তিলোত্তমায়। সংরক্ষিত/২৭-০২-১৮
" জীবনের জয়গান " ২৭-০২-১৮ প্রবীর কুমার চৌধুরী ক্ষত-বিক্ষত মন- ক্লান্ত এ জীবন , জং ধরা খাঁচায়  মুক্তি খুঁজি । রক্তে রাঙ্গানো রাজপথে - পথ চলা নগ্নপদে , না পাওয়া দুঃখ নিয়ে দিন চলে যায় বুঝি । পৃথিবী সবারে চায়, রেখো না বেঁধে আমায়, মুক্ত কর চেতনার বাহুডোর । ওই শোন  ক্ষুধার আর্তনাদ - কেন পাবে না ওরা  তৃপ্তির স্বাদ ? ওদের ঘরে হাসি ফোটাবে না প্রতিটি ভোর? ব্যাঙ্কের লকারে টাকায় ছ্যদলা পড়ে, অপুষ্টি,অনাহারে এদেশের শিশুরা মরে, অথচ নিত্যদিন টাকার মালিক পায় সেলাম। আর কতদিন সইতে হবে দারিদ্যের বোঝা ? লাঙ্গল,কাস্তে,বেলচারা করে যাবে কষ্টের রোজা ? দিন-হীন্ বলে কি আজন্মের গোলাম ? স্বাধীনতা চেয়েছিল সাম্য , কারা করল দেশটাকে ছিন্ন-ভিন্ন? কারা লুটে পুটে  খেল গরীবের খাবার ? এ দেশে সবার আছে অধিকার - হেসে খেলে , সুখ শান্তিতে  বাঁচার , বিভেদের মালা ছিঁড়ে ,শান্তি ফিরুক সবার । দূর হোক যত অসাম্যের বেড়া- শিক্ষার আলোয় আলোকিত হোক এ ধরা, অধিকার বুঝে নিক বঞ্চিত প্রান। আয়রে আয় হতভাগ্য শ্রমিক,মেহনতির দল, নতুন করে গড়বো সমাজ সমস্বরে বল , আমরা বাঁচবো , আমরা গড়বো,...
আমরা প্রতিবাদী ২৮-০২-২০১৮ প্রবীর কুমার চৌধুরী আজ দেখি অমানবিকতার হিংস্র আস্ফালন জল্লাদের মুক্ত তরবারি জ্বালাচ্ছে দাবানল। বসন্তের নীল আকাশে রক্তের আলপনা- নরপিশাচ ,হিংস্র পশুর আনাগোনা। রাজপথে অবুঝ শিশুর করুন বাঁচার  আবেদন - মার বুক খালি কত , শিশুর অকাল  নিধন। অশুভ সুম্ভ,নিশুম্ভ  ,একি করেছে আরম্ভ ? দিকেদিকে মৃত্যুবার্তা, শুধু ধ্বংসের দম্ভ। গোলা, বারুদ আর অস্ত্রের অহংকার রাজপথে মৃত্যুর মিছিল,দিকে দিকে শিশুর চিৎকার । মায়ের বুক বিদীর্ণ পদঘাতে- অবুঝ শিশু আঘাতে আঘাতে আজ নিষ্প্রাণ । অসহায় বিধাতা - আজ মৃত্যু মাগে রোদনভরা বসন্তে। বেদনার অশ্রুজলে ভেসে যায় দীর্ঘশ্বাস ,কত অভিশাপ জমে অজান্তে। এখনো কি থাকবে নীরব স্বার্থপর পৃথিবী ? আগামী যে হয় প্রেমহীন তামাদি এখনও হয়নি সময় প্রতিবাদের মশাল নেওয়ার? শুভবুদ্ধি2 জ্বলে ওঠ, সময় হয়েছে জবাব দেওয়ার । নিষ্ঠুর জল্লাদ,দেখো হাসে কি আহ্লাদে নীরব থেকো না অসহায় শিশুর আর্তনাদে , এস দ্বারখুলে সহানুভূতির হাত বাড়াই শেষ শয্যায় শাহিত শিশুর বুকে স্নেহের হাত বোলাই । শেষ বারের মতো চিৎকারে বলি- হুঁশিয়ার ,বন্ধ কর এ রক্তের হলি , বন্ধ কর...
অনু কবিতা  ২৮-০২-২০১৮   " লোভ " লাভের লোভ লাগামছাড়া , রোগীর বাড়ি দিশাহারা , মরে গিয়েও শান্তি  নেই । মৃত্যু শোক ভুলছে মানুষ হিসাব নিকাশ  যন্ত্রণাতেই. প্রবীর ......28-02-2018
দোলযাত্রা ২৭-০২-২০১৮ প্রবীর কুমার চৌধুরী "আজ আমাদের ন্যাড়াপোড়া কাল আমাদের দোল পূর্ণিমাতে চাঁদ উঠেছে বল হরিবল "। কোথায় গেল সুখের সে দিন, সুখের ছেলেবেলা- স্মৃতির পাতা খুঁজে বেড়াই ,আজ জীবন  শ্রীহীন। দাও ফিরিয়ে স্বপ্নরঙিন আবীরময় বেলা- সারাটি দিন ছুটোছুটি ,আবেশমাখা খুশিভরা দিন । কার কাছে যাই ,কোথায় পাই- অতীত হওয়া দিন। কাল প্রভাতে রাজপথে দেখতে শুধু চাই- ফাগের রঙে শিশুর চোখে স্বপ্ন রঙিন । কলুষ মুক্ত ,হিংসা বিহীন দিন যেন হয় শুরু বসন্তের কোকিল ডাকুক সুরে ,বুক না করে দুরুদুরু। সকলেই মিলিত হোক বসন্তউৎসবে রক্তবিহীন দোল যাত্রায় যোগদিও ভাই সবে।
"অহেতুক কেন বেঁচে আছি  " ০৩-০৩-২০১৮ প্রবীর কুমার চৌধুরী অভাবের থলি সবার হাতে কাঁকর পড়েছে সবার ভাতে নিষ্কৃতি নাই । মিছিল চলেছে পথেঘাটে পাপের পশরা জীবনের হাটে মুক্তি  সূর্যের দেখা নাই । পাওনার তালিকা আকাশ ছোঁয়া গরীবের  রান্নাঘরে কাল ধোঁয়া বাঁচার পথ নাই । দিশাহারা মনপ্রাণ এ সময়ের অবদান খিদেগুলো  কেদেঁ মরে । জীবন আজ এলোমেলো ব্যথা বুকে চলে গেল - কত প্রিয় অনাহারে । সুযোগ সন্ধানী ওত্পেতে - অভাব কেনে কাল হাতে , শিশু আর নারী পণ্য পাচারে । ভাষণে ভাষণে ভরে গেছে দেশ , প্রতিশ্রুতির বিশ্বাস হয়ে গেছে শেষ । কেউ কথা রাখেনি । মনের দাবানলে পুড়ে যাই , শত বন্ধনের বাঁচার  পথ নাই অসময়ে কেউ পাশে থাকেনি । পীরণের হাজার হাজার  ক্ষত- বেদনার বালুচরে অনাহুত যত এখনও ভাঙ্গা বুকে আগুন জ্বলেনি । রাতজাগা চোখগুলো হাহাকারে ভরা চকচকে রাজপথ পাপে আধমরা পূর্ণগুলো দূরে দূরে হাসে। সকালের রোদ্দুরে বেদনার মুখ শিশুর লাশ গুনে গুনে চলে গেছে সুখ । উদার আকাশে রক্তকনারা ভাসে আজ মনেহয় বেঁচে থাকাই মিছে কদর্য পৃথিবী কি চলছে ধ্বংসের পিছে?
আমি দুঃখ পেতে রাজি কিন্তু দুঃখ দিতে নয়, হয়তো ক্ষমতা সীমাবদ্ধ- চেষ্টাতেই আবদ্ধ, তবু দুয়ারে দুয়ারে আমার আসন পাতা । একবুক সূর্য আর শুভসকাল নিয়ে হাঁটা মুখের হাসি শুধু ভালোবাসি, এক প্রভাতে বিদায় নিতে  বলবো বন্ধু এবার আসি।
মুক্তির সন্ধানে বিদায় বন্ধু ০২-০৩-২০১৮ প্রবীর কুমার চৌধুরী একেকটি গ্রূপে যা নিয়মের অনুশাসন দেখছি তাতে নিজেকে নিয়োজিত করলে কোন ব্যক্তিস্বাধীনতার চিহ্নই থাকবে না ।সেখানে দাসক্ষত দিলে তো লেখাই বেরুবে না বন্ধু। নিজেকে মনে হবে ক্রীতদাস । কবি তো উদাসী হওয়ায় মুক্ত বিহঙ্গের মতো উড়ে যেতে চায়। তাকে বন্ধনে আবদ্ধ করার চেষ্টা মানে মুর্খতা।   তাই দুঃখের সঙ্গে জানাচ্চি আগামী কাল থেকে সেই সকল গ্রুপে আর লিখব না। হাতে,পায়ে শেকল বেঁধে কি অক্ষর সাজানো যায় ? আমি  তো স্বাধীন অক্ষর শিল্পী ।
"মিছিল হোক নির্ভয়ে " ০৩-০৩-১৮ এই বিশ্ব ডাক দিক জাগুক বিবেক লক্ষ নিপীড়িত একতার মিছিল হোক আগুয়ান, যত মেহনতি শ্রমিক - তারাই তো ধার্মিক, উদার আকাশে কর্তব্যের শ্লোগান তোলে। কলে, কারখানায় যত শোষণের যন্ত্র - বজ্র কঠিন হাতে করবো ধ্বংস, আগামীর শিশু,শিখুক প্রতিবাদ ভীরু জীবনের হোক অবসান। এস বিধাতার মুখে ঝামা ঘষে - এই থাক আমাদের আহবান ।
অনু কবিতা  ০৬-০৩-২০১৮ অধঃপতন সমাজ দর্পণে কত মুখ ভাসে, ইতিহাস কাঁদে আর কুটিল অট্টহাসে। গাছের  নিচে বিষাক্ত  অন্ধকার - নারী নাকী অবলা পুরুষের অধিকার । সমাজ দর্পণে পশু ,মানুষে প্রভেদ খুঁজি, পৃথিবী লুপ্তজ্ঞান,মনুষ্যত্ব হারিয়েছে বুঝি। হিংস্র রিপুর তাড়নায় নরমাংস চায়     হিতাহিত শূ( লিমেরিক ) " বিরামহীন " ০৫-০৩-২০১৮ প্রবীর কুমার চৌধুরী বিরামহীন ছুটে চলা জীবনের এপ্রান্ত থেকে ওপ্রান্তে , দিশাহারা,আশাহীন ঘরে ফিরি দিনান্তে । সময়গুলো কেঁদে যায় ,ব্যাথায় ভরা বুক , ভুবুক্ষু আর হিংসার দাপাদাপি ,কোথাও নেই সুখ । বিরামহীন প্রতারনা, দম্ভে , প্রান যায়  অজান্তেন্য সময় মায়ের মাংস খায়।
অনু কবিতা  ০৬-০৩-২০১৮ অধঃপতন সমাজ দর্পণে কত মুখ ভাসে, ইতিহাস কাঁদে আর কুটিল অট্টহাসে। গাছের  নিচে বিষাক্ত  অন্ধকার - নারী নাকী অবলা পুরুষের অধিকার । সমাজ দর্পণে পশু ,মানুষে প্রভেদ খুঁজি, পৃথিবী লুপ্তজ্ঞান,মনুষ্যত্ব হারিয়েছে বুঝি। হিংস্র রিপুর তাড়নায় নরমাংস চায়       হিতাহিত শূন্য সময় মায়ের মাংস খায়।
মানবতার হোক উত্থান ০৭-০৩-২০১৮ প্রবীর কুমার চৌধুরী আজ এক ভয়ংকর দিনের মুখোমুখি , ধ্বংসের দামামা শুনে কেউ হতবাক, কেউ সুখী। ভেঙেচুরে কেউ চায় অস্তিত্বের লোপাট - কেউ মহাপ্রস্থানের খুলে দেয় অন্তিম কপাট। অন্ধকারের সিঁড়ি বেয়ে নেবে আসে দম্ভ, মানবিকতার গলাটিপে উল্লসিত শুম্ভ,নিশুম্ভ। কালো হাত পুড়িয়ে ছবি গুড়ায় মূর্তি, জানেনা তবু থামবে না সংগ্রাম,মেহনতি অগুনতি। কালো রাত্রি ভেদ করে উঠবে তেজদীপ্ত সূর্য, আগামীর সন্তান ঘুমভেঙে বাজাবে রণতুর্য । শান্তিকামীর নীরব অশ্রুজল, হবে নাক ব্যর্থ- মুক্তির বার্তাঘোষিত হবেই এযে মহাবিপ্লব তীর্থ।
মানবতার হোক উত্থান ০৭-০৩-২০১৮ প্রবীর কুমার চৌধুরী আজ এক ভয়ংকর দিনের মুখোমুখি , ধ্বংসের দামামা শুনে কেউ হতবাক, কেউ সুখী। ভেঙেচুরে কেউ চায় অস্তিত্বের লোপাট - কেউ মহাপ্রস্থানের খুলে দেয় অন্তিম কপাট। অন্ধকারের সিঁড়ি বেয়ে নেবে আসে দম্ভ, মানবিকতার গলাটিপে উল্লসিত শুম্ভ,নিশুম্ভ। কালো হাত পুড়িয়ে ছবি গুড়ায় মূর্তি, জানেনা তবু থামবে না সংগ্রাম,মেহনতি অগুনতি। কালো রাত্রি ভেদ করে উঠবে তেজদীপ্ত সূর্য, আগামীর সন্তান ঘুমভেঙে বাজাবে রণতুর্য । শান্তিকামীর নীরব অশ্রুজল, হবে নাক ব্যর্থ- মুক্তির বার্তাঘোষিত হবেই এযে মহাবিপ্লব তীর্থ।
ছুটির ঘন্টায় ১৪-০৩-২০১৮ প্রবীর কুমার চৌধুরী ছুটির ঘন্টা বড়ই মধুর অপেক্ষায় বিভোর প্রাণ কত প্রহর কাটিয়ে শুধু থাকে ,ঘরে ফেরার আহবান। কচি কচি মুখ দেখি ইস্কুলে নিষ্প্রাণ ছুটির ঘন্টা বাজলে পরেই তাড়াহুড়ো ,হুড়োহুড়ি উচ্ছল সব  প্রাণ । রোগেশোকে ভুগে ভুগে বিতৃষ্ণার জীবনে চোখে জল,যন্ত্রণাময় ,মৃত্যু যে যাচে তাই বোধহয় বড় মধুর কবরে, শ্মশানে ভবলীলা সাঙ্গ হয় পরলোকে বাঁচে । লোভ,মোহ,হিংসার সংসার কারো কেহ নয় এখানে কাজ শেষে ফিরে যাবে স্বর্গ বা নরক যাই বলো সেখানে। আজ মলে কাল দুদিন হবে মিছেই কর গন্ডগোল মন যাবে নিজ নিকেতনে ছুটির সময় শুনবে শুধু হরিবল হরিবল ।
নারী দিবসে ০৮-০৩-২০১৮ প্রবীর কুমার চৌধুরী আটই মার্চ নারীদিবস ,নারী তোমায় সালাম- মা,কন্যা,স্ত্রীর সম্পর্কে আমরা ধন্য হলাম। যখন জীবন অবসন্ন, চলি ক্লান্ত দুটি  পায়- সকল আশা চিতায় জ্বলে ,জীবন নিঃসহায়, তোমার পরশেই হৃদয়ে জাগে পুনস্বপ্ন - তোমার প্রেমেতেই নবজন্ম,জীবন তোমাতেই লিন,মগ্ন। যেন গাছে গাছে ডাকে কোকিল প্রেমের ঘোষণা, মনের আকাশে লিখি চিঠি জাগে বাঁচার বাসনা। তুমিই নারী সাজাও ভুবন ভোলাও যন্ত্রনা - তুমিই নারী শোনাও আশার বাণী,জাগাও রঙিন কল্পনা। তোমার মাঝেই মায়ের পরশ,অন্ধকারে আলো প্রভাত হলেই তোমায় ঘিরে পুরুষ থাকে ভালো। নারী হলো আসল শক্তি শুধু নয়কো কামিনী- তাই তোমার স্থান সবার উপর কেউ তা ভাবিনি। জন্মনিলাম যার উদরে সেই তো জননী সারাজীবন ঘর সাজিয়ে দেয় যে ঘরণী। মায়ের অভাব পূরণ করে আমার প্রিয় কন্যা- ওরে নারীই জীবন ,নারীই ভুবন,নারীই অনন্যা।
কিছু জিজ্ঞাসা ০৯-০৩-২০১৮ প্রবীর কুমার চৌধুরী আকাশের তারারা নিষ্প্রভ জ্বলে মিটিমিটি চাঁদের পাশে নাকি বড়ই ম্রিয়মান পৃথিবীর আড়ালে মজায় হাসে অংশুমান। হাজারে হাজারে দলবদ্ধ মেঘ- শেষ মিছিলে চলেছে বৃষ্টি আনতে মৃত্যুতেই শেষ আনন্দ কেউ কি জানতে? অসহিষ্ণুতার দাপাদাপিতে বড়ই বিবর্ণ পৃথিবী আতঙ্ক, বিভীষিকার ছায়াতলে জীবন বিধ্বস্ত। ভবিষ্যতের চোখে আজ কেউ নয় বিশ্বস্ত । দূষিত জলবায়ু,বিষাক্ত বাতাসে ভ্রূণ আসে একটা অপূর্ণাঙ্গ  প্রানের প্রকাশ ক্রমশ আগামী পৃথিবী কি সুস্থ হবে? এখন এটাই জিজ্ঞাষ্য।
" এসো জ্যোতির্ময় , মঙ্গল করো " প্রবীর কুমার চৌধুরী - ১০-০৩-২০১৮ ওগো মরমি হিয়ার দরদি প্রিয়া - আঁখি খোল,পলাশ শিমুল দিয়াছে আঁকিয়া- লালিমায় ভরা ভুবন । হৃদ্ মাঝারে দুয়ার খোল- ফাগুন বেলায়, বসন্ত মেলায় বুঝিবা প্রেম এলো। বনে বনে  আজি  রঙের আগুন , দোলের দোলায় মাতিছে ফাগু্‌ন, বাতাসে ভাসিছে আজি  বকুলের  গন্ধ- মনে মনে  জাগিছে  ঝিল্লী নূপুরের ছন্দ । জীর্নজরা মাতুক ধরা- প্রেম জাগিছে হৃদয়ে পাগলপারা , বসন্তের পরশে মন মাতিয়াছে- ভগ্ন হৃদয়ে নব  উদ্দ্যম, যৌবন যেন সাজিয়াছে ফাগের যত রঙ, মোছাক অন্তরের জং , শান্তি আসুক অঙ্গনে । বিকৃত যত ঢ়ং - যবনিকা হউক  এ জীবনে , এসো জ্যোতির্ময় , মঙ্গল করো , প্রনাম তব চরণে ।
কোনদিন  যদি ফিরে আসি প্রিয় তোমার দ্বারে - ফিরায়ে দিও না অনাহুতে শূন্য হাতে মোরে, প্রভাতের আলোয় অঙ্গনে থাকিব নিষ্পলক চেয়ে , ভুলিও না আজ তুমি বড় আমারই গান গেয়ে ।
ভগবান নৃত্য দেখছেন ১৫-০৩-২০১৮ প্রবীর কুমার চৌধুরী। রাজপথে শুধু যুক্তি আর তক্কোর লড়াই - যেন তিপান্ন কাহন সমস্যার খুলবে জট। সংবাদ পত্রে এগিয়ে চলার খতিয়ান কিন্তু - দুর্বল বুকের খাঁচায় ভয়ের সমুদ্র ঢেউ তোলে। এদিকে জ্ঞানের পাহাড়ে কেউ কেউ বসে- নিতান্তই নিদান হাকে সমস্যার। আর বোকা অবুঝ মন, সারাক্ষণ পথ খোঁজে  পালাবার। পরিবেশ দুষিত বাতাসে হাঁপর টানতে বাধা পায় কামার শালায় , লোভের দাঁত বিকশিত,অতৃপ্ত সময় মৃত্যুর দিন গোনে, বঞ্চনা, ক্ষমতা আর প্রতারণার উদ্ধত্বে রসাতলে যায় ভুবন। চিকিৎসাশাস্ত্রর চোখে জল,বিদ্রোহের গান গায়। আর- মধ্যরাতের স্বপ্নে সুখ আর শান্তির বরাভয়  দেখায় মৃত্যুশীতলতা। অপুষ্টির বাজার সদ্যোজাতের ক্ষুধার্থ চিৎকার দূষণ ঘটায়। পঞ্চাশ হাজারের মিছিল ক্লান্ত ,রক্তাক্ত পায়ে এগিয়ে চলে অধরা স্বপ্নকে বুকে আঁকড়ে। আগামীর পৃথিবী নীরব,নিরুত্তর । একটা একটা প্রশ্ন জমা হয় প্রশ্নপত্রে নিরুত্তর উত্তরপত্র সিলেবাস হয়নিতো শেষ। এরি মাঝে কামনার দাঁত বিকশিত, বিকৃত মন আর উদ্ধত সাহস মৈথুনরত- দিকে দিকে , অসহায় নিষ্পাপ গর্ভকোষ কেঁদে মরে পৃথিবীজুড়েই। এখন ঘুষের নেশায় মাতাল চিত্রগুপ্ত-...
আর নয় ধূমপান ১২-০৩-২০১৮ প্রবীর কুমার চৌধুরী আজকে বড় লাগছে ভালো করছো সুখে ধূমপান, দুদিন পরেই বুঝবে মৃত্যুই করছো আহবান। বুকে ক্ষত ,মর্মাহত আসবে কত অনুতাপ বুঝবে সেদিন ধূমপান কি ভীষণ অভিশাপ। মনের সুখে নিকোটিনের বিষ ভরছো দুই ফুসফুসে ভাবছো বসে কি মজা জীবন যাবে আয়েশে। সব জেনেও না জানার করছো অভিনয় ক্যান্সার, হার্ডএট্যাক,যক্ষা নানা রোগের ভয়। আরও আছে হার্ড ব্লক,ব্রঙ্কাইটিস,নিবীর্য করুন সর্বদা দুর্বলতা,ধারনে অক্ষমতা ,অপঘাতে মরণ। প্যাকেটেও বিধিবদ্ধ সতর্কীকরণ আছে- কোম্পানি ভীষণ  চতুর কেউ দোষ দেয় পাছে। নিজ ঘরে,পরিবেশেও দূষণ ছড়াও- কোন অধিকারে পৃথিবীকে  বিষাক্ততায় ভরাও ? তামাকের নেশায় কোন বাহবাই নেই, আছে অপচয় তাই বলি সুস্থ থাকো ,নীরোগ থাক জীবনকে কর জয় নিজে বেঁচে ঘর বাঁচাও কাটাও  নেশাহীন জীবন- অকালে দিয়োনা বিসর্জন অনন্ত যৌবন।
" এই সময় " গদ্য কবিতা, ১৩-০৩-২০১৮ প্রবীর কুমার চৌধুরী । এখন অসহনিয় নীরবতায় - দম বন্ধ হয়ে আসছে, কাঁপা  কাঁপা পায়ে সবাই - যে যার নিজের জায়গায় নিশ্চল দাঁড়িয়ে । লক্ষন রেখা পার হওয়ার এখনি  সময়, কারা যেন পায়ে পায়ে এগিয়ে চলেছে গ্রাম,নগর অতিক্রম করে। ভাগ্যের চাকাটা পৃথিবীর তালে তালে ঘুরছে, লটারির মতো কেউ পাচ্ছে ,কেউ হারছে । রৌদ্রের হাহাকারে ঘর্মাক্ত শরীর - জীবনের বক্র পথে হোঁচটে হোঁচটে রক্তাক্ত। সামনের শোষণের পাহাড় - দিশাহীন সমাজে রক্তনদীর দুরন্ত ঢেউ আছড়ে পড়ছে। জীবন আজ বড়ই নড়বড়ে, বুনিয়াদহীন হারিয়ে গেছে বাঁচার ছন্দ , সবকিছুই মুখোশের আড়ালে খেলাকরে। মাংসের লোভে দিশাহারা হিংস্রতা - বিবেকের বুক ছিঁড়ে ছিঁড়ে খাচ্ছে । অসহায় রাত্রি নিষিদ্ধ কামনায় আক্রান্ত নীরব ক্ষুধার্ত মুখে গর্ভ পাতের যন্ত্রনা। পেটে অসহ্য জ্বালা , রাতজাগা রাজপথের হাতে ভিক্ষাভান্ড। আকাশের গায়ে ইতিহাসের পাতা খুলে দেখ কেউ কারো নয় ললাটের লিখন। শ্মশানের চিতায় নেভেনা আগুন, গঙ্গা্র দুষিত জলে পূর্নতার আহরণ । ক্লান্ত আয়ুর দৃষ্টি চিত্রগুপ্তের খাতার  দিকে- কখন পৌঁছাবে লাশকাটা ঘরে- সিঁড়ি বেয়ে উঠে আ...
অনু কবিতা আলোয় মাতুক হারিয়ে গেছে সন্ধ্যে প্রদীপ হারিয়ে গেছে আলোর ভোর। আশায় আশায় জীবন গেল নাহি দেখা তোর। বসন্ত আসে আমায় ডাকে, আমি ডাকি তোকে প্রেম যমুনা শুকিয়ে গেছে প্রেমহিনতার শোকে। আসুক সকাল আলোয় আলোয় - মাতুক আনন্দলোকে।
খাওয়ার মজা  ১৬-০৩-২০১৮ প্রবীর কুমার চৌধুরী প্রিয় খাবার যতই থাকুক লোভে খেও না, হজম শক্তি সীমাবদ্ধ এটা ভুলনা । মন যে আমার চায় শুধুই পোলাও,কোপ্তা,বিরিয়ানি- একবার খেলে তিনদিন শয্যা সেটাও কিন্তু জানি। তেতো ভাল মিঠা নয় মধুমেয় হাসে , নিরামিশ আহার রোগহীন সুস্বাস্থ আসে। ধূমপানে মজা আছে দিই সুখটান- ল্যাংক্যান্সারের প্রবণতা অকালে যায় প্রাণ । পথেঘাটে কারণ খেয়ে হয়ে যান বাদশা - বেসামাল অনেক ভদ্র দেখান কত তামাশা। প্রেমে আছে রঙ্গীন স্বপ্ন কিন্তু যদি ধোঁকা খান- ভগ্ন হৃদয়, ব্যর্থতার গ্লানি,জীবন খানখান। ভোট এলে কথা খাও,প্রতিশ্রুতি পেটভরে , তারপর ধোঁকা খাও কাঁদ বসে অনাহারে। অফিসেতেও সুখ নাই  লেগেই আছে খাওয়া খাই- ঘরে ফিরেও মুখ খাই কোথাও যে সুখ নাই। জীবনের চলার পথে শুধুই খেলাম ঠোক্কর- আগে ভাই বুঝিনি,কেউতো বলেনি এত আছে চক্কর। বড়ই লোভনীয় খাদ্য উপরি এখন প্রধান, আগে কাজ করাতে গেলেই ঘুষ কর প্রদান। প্রিয়জনে প্রশ্রয়ে  আবেগে মাথা খান- আদরে বাদর সে জন করেন  অনৈতিকতার আহবান। শান্তি,শৃঙ্খলা দৌড় দিয়ে ওঠে চুলোয় প্রশ্রয়দাতার মান সম্মান মেশে পথের ধুলোয়। সব খাওয়াই ভাল ,বেশ...
হোক দৃঢ়তার উন্মেষ ২০-০৩-২০১৮ প্রবীর কুমার চৌধুরী তোমার জন্যে শুধু তোমার জন্যে আমার দীর্ঘ সংগ্রাম, সমস্ত প্রতিবন্ধকতা দুপায়ে ঠেলে- তোমার দুহাতের স্পর্শই আমাকে নামিয়েছে যুদ্ধে। কে বলে আমি প্রতিদ্বন্দ্বী? কে বলে আমি দুর্বল? একবুক ভালোবাসায় আমি অপরাজিত প্রেমিক, সৃষ্টির শুভ নেশায় মাতাল আমার ভুবন। তীব্র দহন জ্বালা জুড়ায় কালবৈশাখীর উন্মত্ততা, আর আমার রক্তাক্ত শরীরের ক্ষরণ স্তব্দ হয় তোমার ভালোবাসায়। আজ মহাজাগতিক ধ্বংসের মধ্যেই জেগে উঠুক নবজাগরনের মহাপ্লাবন। পৃথিবীর এপ্রান্ত থেকে ওপ্রান্ত- মহাকালের দুন্দুভি বাজাই, তোমার দুচোখের আলো নিয়েই আলোকিত হোক আমার রণক্ষেত্র,চক্রবুহ ভেদকরে- ছিনিয়ে আনবো জীবনের সমস্ত জয়। মূর্খ সময় বলুক না আমায় দৃষ্টিহীন,আমি নিশ্চত আমি অপরাজিত,অপ্রতিদ্বন্দ্বী। অক্ষরের পাহাড় জাগে পঙ্গু হৃদয়ের অতলে , তোমার চোখের জল কালি হয়ে ঝড়ুক আমার কলমে, কাব্যসাগরে ভেসে যাক অর্বাচীন সময়। তোমার বুকের নিখাদ প্রেমের স্পর্শ- জাগাক হর্ষ, লজ্জায় নত হোক ভীরু  বিধাতা। মিলন যদি এতই মধুর,এস পাপকে করি পরাজিত, শত অবজ্ঞা,ভৎসনা আর ব্যঙ্গ হোক নতমস্তক। আমার রনবীর্যে সৃষ্টি হোক ন...